টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে স্বাগতিকদের হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে শুভমান গিলের নেতৃত্বাধীন তরুণ ভারতীয় দল।
প্রথম ম্যাচে অপ্রত্যাশিত পরাজয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে নামে ভারত। টপ অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং মধ্যক্রমের ঝোড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে বড় সংগ্রহ গড়ে সফরকারীরা। অধিনায়ক শুভমান গিল সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন, আর তরুণ ব্যাটারদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের বোলাররা চাপে পড়ে যায়।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। ভারতের পেস ও স্পিন আক্রমণের সামনে কোনো জুটিই বড় হতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে ভারত। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সিরিজে সমতা ফেরায় তারা।
বিশ্বকাপজয়ী দলে থাকা বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দেওয়ায় এই সিরিজে তরুণদের ওপরই ভরসা করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে সেই তরুণরাই নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন। ব্যাট হাতে আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ভারতের জয়কে সহজ করে তোলে।
এই জয়ের মাধ্যমে শুধু সিরিজে সমতা ফেরায়নি ভারত, বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রথম আন্তর্জাতিক জয়ের স্বাদও পেয়েছে। প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে দলের এমন প্রত্যাবর্তন ভবিষ্যৎ সিরিজগুলোর জন্যও আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
এদিকে জিম্বাবুয়ে প্রথম ম্যাচের চমক ধরে রাখতে পারেনি। ব্যাটিং ব্যর্থতা এবং বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে স্বাগতিকদের ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে হয়। সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দলটিকে সব বিভাগেই আরও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।
বিগত দিনে সিলেটের সাথে চরম বৈষম্য করা হয়েছে: মুফতি...